সু চির পদক ফিরিয়ে নিল হলোকাস্ট মিউজিয়াম
মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে দেয়া পদক প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হলোকাস্ট মেমোরিয়াল মিউজিয়াম। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনী ও উগ্রপন্থী বৌদ্ধদের আক্রমণ ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে জাতিগত নিধণের কথা স্বীকার না করায় সু চিকে দেয়া পদক প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্বখ্যাত এই জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।
এক চিঠিতে জাদুঘরটির কর্তৃপক্ষ বলেছে, সু চিকে দেয়া পদক প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয়া খুব কঠিন ছিল। কিন্তু অনুতাপের বিষয় হচ্ছে, তাকে (সু চি) দেয়া পদক আমরা ফিরিয়ে নিচ্ছি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসিদের নৃশংসতার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ ২০১২ সালে দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি হিসেবে ‘এলি উইসেল’ নামের এই পদক দেয় মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে। এর আগে উইসেল নামের এক ব্যক্তিকে এই পদক দেয়া হয়েছিল। তিনি নাৎসিদের নির্যাতন থেকে পালিয়ে প্রাণরক্ষা করেছিলেন।
এর আগেও রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞের কারণে নিশ্চুপ থাকা মিয়ানমারের কার্যত ডি-ফ্যাক্টো (সরকার প্রধান) সু চির বিভিন্ন পদক প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এর মধ্যে ‘ফ্রিডম অব দি সিটি অব অক্সফোর্ড অ্যাওয়ার্ড, ‘ফ্রিডম অব দ্য সিটি অব ডাবলিন’ প্রত্যাহার করেছিল যুক্তরাজ্যের কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সু চিকে দেয়া সম্মাননা স্থগিত করে দেয় ইউনিসন নামের যুক্তরাজ্যের একটি দ্বিতীয় বৃহত্তম ট্রেড ইউনিয়ন।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ সু চির উদ্দেশে লেখা চিঠিতে বলেছে, সু চি ও তার দল রোহিঙ্গাদের ওপর বনির্যাতনের বিষয় খতিয়ে দেখতে জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এতে বোঝা যায় রোহিঙ্গাদের ওপর আক্রমণে কারা মদদ দিয়েছে।
আমার ওয়েবসাইটি অবশ্যই সাবস্কাইব করতে ভুলবেন না....এম,তৌহিদুজ্জামান মারুফ
এক চিঠিতে জাদুঘরটির কর্তৃপক্ষ বলেছে, সু চিকে দেয়া পদক প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয়া খুব কঠিন ছিল। কিন্তু অনুতাপের বিষয় হচ্ছে, তাকে (সু চি) দেয়া পদক আমরা ফিরিয়ে নিচ্ছি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসিদের নৃশংসতার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ ২০১২ সালে দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি হিসেবে ‘এলি উইসেল’ নামের এই পদক দেয় মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে। এর আগে উইসেল নামের এক ব্যক্তিকে এই পদক দেয়া হয়েছিল। তিনি নাৎসিদের নির্যাতন থেকে পালিয়ে প্রাণরক্ষা করেছিলেন।
এর আগেও রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞের কারণে নিশ্চুপ থাকা মিয়ানমারের কার্যত ডি-ফ্যাক্টো (সরকার প্রধান) সু চির বিভিন্ন পদক প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এর মধ্যে ‘ফ্রিডম অব দি সিটি অব অক্সফোর্ড অ্যাওয়ার্ড, ‘ফ্রিডম অব দ্য সিটি অব ডাবলিন’ প্রত্যাহার করেছিল যুক্তরাজ্যের কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সু চিকে দেয়া সম্মাননা স্থগিত করে দেয় ইউনিসন নামের যুক্তরাজ্যের একটি দ্বিতীয় বৃহত্তম ট্রেড ইউনিয়ন।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ সু চির উদ্দেশে লেখা চিঠিতে বলেছে, সু চি ও তার দল রোহিঙ্গাদের ওপর বনির্যাতনের বিষয় খতিয়ে দেখতে জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এতে বোঝা যায় রোহিঙ্গাদের ওপর আক্রমণে কারা মদদ দিয়েছে।
আমার ওয়েবসাইটি অবশ্যই সাবস্কাইব করতে ভুলবেন না....এম,তৌহিদুজ্জামান মারুফ

Comments